< ମୋଶାଙ୍କ ଲିଖିତ ପ୍ରଥମ ପୁସ୍ତକ 19 >
1 ଏଥିଉତ୍ତାରେ ସନ୍ଧ୍ୟା ବେଳେ ସେହି ଦୁଇ ସ୍ୱର୍ଗଦୂତ ସଦୋମରେ ଉପସ୍ଥିତ ହେଲେ; ସେତେବେଳେ ଲୋଟ ସଦୋମ ନଗରର ଦ୍ୱାରରେ ଉପବିଷ୍ଟ ଥିବାରୁ ସେମାନଙ୍କୁ ଦେଖି ସେମାନଙ୍କ ସହିତ ସାକ୍ଷାତ କରିବାକୁ ଉଠିଲା, ପୁଣି, ଭୂମିଷ୍ଠ ପ୍ରଣାମ କରି କହିଲା
সন্ধ্যাবেলায় সেই দুজন দূত সদোমে উপস্থিত হলেন। লোট নগরের প্রবেশদ্বারে বসেছিলেন। তাঁদের দেখতে পেয়ে তিনি তাঁদের সাথে দেখা করার জন্য উঠে গেলেন ও মাটিতে উবুড় হয়ে প্রণাম করলেন।
2 “ହେ ମୋହର ପ୍ରଭୁମାନେ, ମୁଁ ବିନୟ କରୁଅଛି, ଆଜି ରାତ୍ର ଆପଣମାନଙ୍କ ଏହି ଦାସର ଗୃହରେ ପଦାର୍ପଣ କରି ବାସ କରନ୍ତୁ ଓ ପାଦ ପ୍ରକ୍ଷାଳନ କରନ୍ତୁ; ତହୁଁ ସକାଳୁ ଉଠି ଯାତ୍ରା କରିବେ।” ତହିଁରେ ସେମାନେ କହିଲେ, “ନା; ଆମ୍ଭେମାନେ ଦାଣ୍ଡରେ ସମସ୍ତ ରାତ୍ରି କ୍ଷେପଣ କରିବୁ।”
“হে আমার প্রভুরা,” তিনি বললেন, “দয়া করে আপনাদের এই দাসের বাড়ির দিকে আসুন। আপনারা পা ধুয়ে এখানে রাত কাটাতে পারেন ও তারপর ভোরবেলায় আপনাদের যাত্রাপথে এগিয়ে যান।” “না,” তাঁরা উত্তর দিলেন, “আমরা চকেই রাত কাটাব।”
3 ମାତ୍ର ଲୋଟ ଅତିଶୟ ବଳାଇବାରୁ ସେମାନେ ତାହା ସହିତ ଯାଇ ତାହାର ଘରେ ପ୍ରବେଶ କଲେ; ତହୁଁ ସେ ସେମାନଙ୍କର ପାଇଁ ତାଡ଼ିଶୂନ୍ୟ ରୁଟି ଆଦି ଖାଦ୍ୟଦ୍ରବ୍ୟ ପ୍ରସ୍ତୁତ କରନ୍ତେ, ସେମାନେ ଭୋଜନ କଲେ।
কিন্তু তিনি এত পীড়াপীড়ি করলেন যে তাঁরা তাঁর সাথে গেলেন ও তাঁর বাড়িতে প্রবেশ করলেন। তিনি তাঁদের জন্য কিছু খাবারদাবার রান্না করলেন ও খামিরবিহীন রুটি সেঁকে দিলেন, ও তাঁরা তা খেলেন।
4 ମାତ୍ର ସେମାନେ ଶୟନ କରିବା ପୂର୍ବେ ସେହି ନଗରର ଲୋକମାନେ, ଅର୍ଥାତ୍, ସଦୋମର ଯୁବାବୃଦ୍ଧାଦି ସମସ୍ତ ଲୋକ ଚାରିଆଡ଼ୁ ଆସି ତାହାର ଘର ଘେରିଲେ।
তাঁরা শুতে যাওয়ার আগে, সদোম নগরের সবদিক থেকে লোকজন এসে—যুবকেরা ও বৃদ্ধেরা—সবাই বাড়িটি ঘিরে ধরল।
5 ପୁଣି, ଲୋଟକୁ ଡାକି କହିଲେ, “ଆଜି ରାତ୍ରିରେ ଯେଉଁ ମନୁଷ୍ୟମାନେ ତୁମ୍ଭ ଘରକୁ ଆସିଲେ, ସେମାନେ କାହାନ୍ତି? ସେମାନଙ୍କୁ ବାହାର କରି ଆମ୍ଭମାନଙ୍କ ପାଖକୁ ଆଣ। ଆମ୍ଭେମାନେ ସେମାନଙ୍କଠାରେ ଉପଗତ ହେବା।”
তারা লোটকে ডেকে বলল, “আজ রাতে যে লোকেরা তোমার কাছে এসেছে, তারা কোথায়? তাদের আমাদের কাছে বের করে নিয়ে এসো, যেন আমরা তাদের সঙ্গে যৌনসঙ্গম করতে পারি।”
6 ତହିଁରେ ଲୋଟ ବାହାରକୁ ଆସି ଦ୍ୱାର ବନ୍ଦ କରି କହିଲା,
তাদের সাথে দেখা করার জন্য লোট বাইরে গেলেন ও পিছন থেকে দরজাটি বন্ধ করে দিলেন
7 “ହେ ଭାଇମାନେ, ମୁଁ ବିନୟ କରୁଅଛି, ଏପରି କୁବ୍ୟବହାର କର ନାହିଁ।
এবং বললেন, “হে আমার বন্ধুরা, না। এরকম মন্দ কাজ কোরো না।
8 ଦେଖ, ପୁରୁଷ-ଅସ୍ପୃଷ୍ଟା ମୋହର ଦୁଇଟି କନ୍ୟା ଅଛନ୍ତି, ସେମାନଙ୍କୁ ତୁମ୍ଭମାନଙ୍କ ନିକଟକୁ ଆଣୁଅଛି, ତୁମ୍ଭମାନଙ୍କ ଦୃଷ୍ଟିରେ ଯାହା ଭଲ, ତାହା ସେମାନଙ୍କ ପ୍ରତି କର, ମାତ୍ର ସେହି ମନୁଷ୍ୟମାନଙ୍କ ପ୍ରତି କିଛି କର ନାହିଁ, କାରଣ ଏଥିନିମନ୍ତେ ସେମାନେ ମୋʼ ଛାତ ତଳେ ଆଶ୍ରୟ ନେଇଅଛନ୍ତି।”
দেখো, আমার এমন দুই মেয়ে আছে যারা কখনও কোনো পুরুষের সাথে সহবাস করেনি। আমি তাদের তোমাদের কাছে বের করে আনি, আর তোমরা তাদের সাথে যা ইচ্ছা তা করতে পারো। কিন্তু এই লোকদের প্রতি কিছু কোরো না, কারণ তাঁরা আমার ঘরে আশ্রয় নিতে এসেছেন।”
9 ସେତେବେଳେ ସେମାନେ କହିଲେ, “ଘୁଞ୍ଚି ଯା।” ପୁଣି କହିଲେ, “ଏ ଲୋକଟା ଆମ୍ଭମାନଙ୍କ ମଧ୍ୟରେ ପ୍ରବାସ କରିବାକୁ ଆସି ଆମ୍ଭମାନଙ୍କର ବିଚାରକର୍ତ୍ତା ହେବାକୁ ଚାହେଁ; ଏବେ ସେମାନଙ୍କଠାରୁ ତୋʼ ପ୍ରତି ଆହୁରି କୁବ୍ୟବହାର କରିବା।” ତହୁଁ ସେମାନେ ସେହି ମନୁଷ୍ୟ, ଅର୍ଥାତ୍, ଲୋଟ ପ୍ରତି ବଳ ପ୍ରୟୋଗ କରି କବାଟ ଭାଙ୍ଗିବାକୁ ଗଲେ।
“আমাদের পথ থেকে সরে দাঁড়া।” তারা উত্তর দিল। “এ তো এক বিদেশি হয়ে এখানে এসেছিল, আর এখন কি না বিচারক হওয়ার চেষ্টা করছে! আমরা তোর প্রতি ওদের চেয়েও মন্দ আচরণ করব।” তারা লোটের উপর চাপ বাড়িয়ে যাচ্ছিল ও দরজা ভেঙে ফেলার জন্য সামনে এগিয়ে গেল।
10 ମାତ୍ର ସେହି ଦୁଇ ଜଣ ହସ୍ତ ବଢ଼ାଇ ଲୋଟକୁ ଗୃହ ମଧ୍ୟରେ ଆପଣାମାନଙ୍କ ନିକଟକୁ ଟାଣି ନେଇ ଦ୍ୱାର ବନ୍ଦ କଲେ।
কিন্তু ভিতরে থাকা ব্যক্তিরা হাত বাড়িয়ে লোটকে বাড়ির ভিতরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলেন।
11 ପୁଣି, ଦ୍ୱାର ନିକଟବର୍ତ୍ତୀ ସାନ ଓ ବଡ଼ ସମସ୍ତଙ୍କୁ ଅନ୍ଧ କରାଇଲେ; ତହିଁରେ ସେମାନେ ଦ୍ୱାର ଖୋଜୁ ଖୋଜୁ ପରିଶ୍ରାନ୍ତ ହେଲେ।
পরে তাঁরা সেই বাড়ির দরজায় যারা দাঁড়িয়েছিল—যুবকদের ও বৃদ্ধদের—এমন অন্ধতায় আছন্ন করলেন, যে তারা আর দরজাই খুঁজে পেল না।
12 ଏଥିଉତ୍ତାରେ ସେହି ବ୍ୟକ୍ତିମାନେ ଲୋଟକୁ କହିଲେ, “ଏହି ସ୍ଥାନରେ ତୁମ୍ଭର ଆଉ କିଏ କିଏ ଅଛନ୍ତି? ଜୁଆଁଇ ଓ ତୁମ୍ଭର ପୁତ୍ରକନ୍ୟାଦି ଯେତେ ଲୋକ ଏହି ନଗରରେ ଅଛନ୍ତି, ସେ ସମସ୍ତଙ୍କୁ ଏହି ସ୍ଥାନରୁ ନେଇଯାଅ;
সেই দুই ব্যক্তি লোটকে বললেন, “এখানে তোমার আর কেউ কি আছে—জামাই, ছেলে বা মেয়ে, অথবা এই নগরের এমন কেউ, যারা তোমার আপনজন? এখান থেকে তাদের বের করে নিয়ে যাও,
13 ଯେହେତୁ ଆମ୍ଭେମାନେ ଏହି ସ୍ଥାନ ଉଚ୍ଛିନ୍ନ କରିବା। ସଦାପ୍ରଭୁଙ୍କ ଛାମୁରେ ଏହି ନଗର ବିରୁଦ୍ଧରେ ମହାକ୍ରନ୍ଦନ ଉଠିଅଛି, ଏଣୁ ସଦାପ୍ରଭୁ ଏହି ନଗର ଉଚ୍ଛିନ୍ନ କରିବା ପାଇଁ ଆମ୍ଭମାନଙ୍କୁ ପଠାଇଅଛନ୍ତି।”
কারণ আমরা এই স্থানটি ধ্বংস করতে যাচ্ছি। এখানকার লোকজনের বিরুদ্ধে ওঠা কোলাহল সদাপ্রভুর কানে এত জোরে বেজেছে, যে এটি ধ্বংস করার জন্যই তিনি আমাদের এখানে পাঠিয়েছেন।”
14 ତହୁଁ ଲୋଟ ବାହାରକୁ ଯାଇ ଆପଣା କନ୍ୟାମାନଙ୍କ ସହିତ ବିବାହ କରିବାକୁ ଉଦ୍ୟତ ଜୁଆଁଇମାନଙ୍କୁ କହିଲା, “ଉଠ, ଏଠାରୁ ବାହାର ହୁଅ, ସଦାପ୍ରଭୁ ଏହି ନଗର ଉଚ୍ଛିନ୍ନ କରିବେ,” ମାତ୍ର ଜୁଆଁଇମାନେ ତାହାକୁ ପରିହାସକ ପରି ମଣିଲେ।
অতএব লোট বাইরে গিয়ে তাঁর সেই জামাইদের সাথে কথা বললেন, যারা তাঁর মেয়েদের বিয়ে করার জন্য বাগ্দান করেছিল। তিনি বললেন, “তাড়াতাড়ি করো ও এখান থেকে বেরিয়ে যাও, কারণ সদাপ্রভু এই নগরটি ধ্বংস করতে চলেছেন!” কিন্তু তাঁর জামাইরা ভেবেছিল যে তিনি বুঝি ঠাট্টা করছেন।
15 ଆରଦିନ ପ୍ରଭାତ ହୁଅନ୍ତେ, ଦୂତମାନେ ଲୋଟକୁ ଚଞ୍ଚଳ କରାଇ କହିଲେ, “ଉଠ, ଆପଣାର ଭାର୍ଯ୍ୟା ଓ ଏହି ଯେଉଁ ଦୁଇ କନ୍ୟା ଏଠାରେ ଅଛନ୍ତି, ସେମାନଙ୍କୁ ଘେନିଯାଅ; ନୋହିଲେ ନଗରର ଦଣ୍ଡରେ ବିନଷ୍ଟ ହେବ।”
ভোর হতে না হতেই, দূতেরা লোটকে অনুরোধ জানিয়ে বললেন, “তাড়াতাড়ি করো! যারা এখানে আছে, তোমার সেই স্ত্রী ও দুই মেয়েকে সাথে নাও, তা না হলে এই নগরটিকে যখন দণ্ড দেওয়া হবে, তখন তোমরাও নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।”
16 ତଥାପି ସେ ବିଳମ୍ବ କଲା; ତହିଁରେ ତାହା ପ୍ରତି ସଦାପ୍ରଭୁଙ୍କର ଦୟା ସକାଶୁ ସେମାନେ ତାହାର ଓ ତାହା ଭାର୍ଯ୍ୟାର ଓ ଦୁଇ କନ୍ୟାଙ୍କର ହସ୍ତ ଧରି ସେମାନଙ୍କୁ ନଗରର ବାହାରେ ରଖିଲେ।
তিনি যখন ইতস্তত বোধ করছিলেন, তখন সেই ব্যক্তিরা তাঁর হাত, তাঁর স্ত্রীর হাত ও তাঁর দুই মেয়ের হাত চেপে ধরে নিরাপদে তাঁদের নগরের বাইরে নিয়ে গেলেন, কারণ সদাপ্রভু তাঁদের প্রতি দয়াবান ছিলেন।
17 ଏହିରୂପେ ସେମାନଙ୍କୁ ବାହାର କରି ଆଣିଲା ଉତ୍ତାରେ ସେମାନଙ୍କ ମଧ୍ୟରୁ ଜଣେ ଲୋଟକୁ କହିଲା, “ପ୍ରାଣରକ୍ଷା ନିମନ୍ତେ ପଳାଅ; ପଛଆଡ଼କୁ ଦୃଷ୍ଟି କର ନାହିଁ ଓ ଏହି ସମସ୍ତ ପ୍ରାନ୍ତର ମଧ୍ୟରେ ହେଁ ରୁହ ନାହିଁ; ପର୍ବତକୁ ପଳାଇ ଯାଅ; ନୋହିଲେ ବିନଷ୍ଟ ହେବ।”
তাঁদের বাইরে বের করে আনার পরেই সেই ব্যক্তিদের মধ্যে একজন বললেন, “প্রাণ বাঁচানোর জন্য পালিয়ে যাও! পিছনে ফিরে তাকিয়ো না, আর সমভূমিতে কোথাও দাঁড়িয়ো না! পাহাড়-পর্বতে পালিয়ে যাও, তা না হলে তোমরা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে!”
18 ତହିଁରେ ଲୋଟ ଉତ୍ତର କଲା, “ହେ ମୋହର ପ୍ରଭୋ, ଏପରି ନ ହେଉ;
কিন্তু লোট তাঁদের বললেন, “হে আমার প্রভুরা, না, দয়া করুন!
19 ଏବେ ଏହି ଦାସ ପ୍ରତି ଅନୁଗ୍ରହ ଓ ମହାଦୟା କରି ପ୍ରାଣରକ୍ଷା କଲେ; ମୁଁ ପର୍ବତକୁ ପଳାଇ ଯାଇ ନ ପାରେ; କେଜାଣି ବିପଦ ଘଟିଲେ ମରିଯିବି।
আপনাদের এই দাস আপনাদের দৃষ্টিতে অনুগ্রহ লাভ করেছে, এবং আপনারা আমার প্রাণরক্ষার জন্য অশেষ দয়া দেখিয়েছেন। কিন্তু আমি পাহাড়-পর্বতে পালিয়ে যেতে পারব না; এই দুর্যোগ আমাকে গ্রাস করবে ও আমি মারা যাব।
20 ଦେଖନ୍ତୁ, ପଳାଇ ଯିବାକୁ ସେହି ନଗର ନିକଟବର୍ତ୍ତୀ, ତାହା କ୍ଷୁଦ୍ର; ସେହି ସ୍ଥାନକୁ ପଳାଇବାକୁ ଆଜ୍ଞା କରନ୍ତୁ, ତହିଁରେ ମୋହର ପ୍ରାଣ ବଞ୍ଚିବ; ତାହା କି କ୍ଷୁଦ୍ର ନୁହେଁ?”
দেখুন, এখানে কাছাকাছি পালিয়ে যাওয়ার উপযোগী একটি নগর আছে, আর তা ছোটও। আমাকে সেখানে পালিয়ে যেতে দিন—সেটি খুবই ছোটো, তাই না? তবেই তো আমার প্রাণরক্ষা হবে।”
21 ତହୁଁ ସେ କହିଲେ, “ଭଲ, ଆମ୍ଭେ ଏ ବିଷୟରେ ତୁମ୍ଭ ପ୍ରତି ଅନୁଗ୍ରହ କରି, ସେହି ଯେଉଁ ନଗରର କଥା ତୁମ୍ଭେ କହିଲ, ତାହା ଉତ୍ପାଟନ କରିବା ନାହିଁ।
তিনি তাঁকে বললেন, “তা বেশ, এই অনুরোধটিও আমি রাখব; যে নগরটির কথা তুমি বললে, আমি সেটি উৎখাত করব না।
22 ତୁମ୍ଭେ ଶୀଘ୍ର ସେହି ସ୍ଥାନକୁ ପଳାଅ, ଯେହେତୁ ତୁମ୍ଭେ ସେଠାରେ ଉପସ୍ଥିତ ନ ହେଲେ, ଆମ୍ଭେ କିଛି କରି ନ ପାରୁ।” ଏଣୁ ସେହି ସ୍ଥାନର ନାମ ସୋୟର ହେଲା।
কিন্তু তাড়াতাড়ি সেখানে পালিয়ে যাও, কারণ যতক্ষণ না তুমি সেখানে পৌঁছে যাচ্ছ, আমি কিছুই করতে পারব না।” (সেজন্যই নগরটিকে সোয়র নাম দেওয়া হল।)
23 ଏଥିଉତ୍ତାରେ ଦେଶରେ ସୂର୍ଯ୍ୟୋଦୟ ହୁଅନ୍ତେ, ଲୋଟ ସୋୟରରେ ପ୍ରବେଶ କଲା।
লোট সোয়রে পৌঁছালে, দেশে সূর্যোদয় হল।
24 ତେବେ ସଦାପ୍ରଭୁ ଆକାଶରୁ ସଦାପ୍ରଭୁଙ୍କ ନିକଟରୁ ସଦୋମ ଓ ହମୋରା ଉପରେ ଗନ୍ଧକ ଓ ଅଗ୍ନି ବୃଷ୍ଟି କରି
তখন সদাপ্রভু সদোম ও ঘমোরার উপর—সদাপ্রভুর কাছ থেকে, আকাশ থেকে—জ্বলন্ত গন্ধক বর্ষণ করলেন।
25 ସେହି ସମୁଦାୟ ନଗର ଓ ପ୍ରାନ୍ତର ଓ ତନ୍ମଧ୍ୟସ୍ଥିତ ଲୋକ ଓ ସେହି ଭୂମିରେ ଜାତ ସକଳ ପଦାର୍ଥ ଉତ୍ପାଟନ କଲେ।
এভাবে তিনি সেই নগরগুলি ও সমগ্র সমতল এলাকা উৎখাত করলেন, ও নগরগুলিতে যত প্রাণী ছিল, সেসব—আর দেশের গাছপালাও ধ্বংস করে দিলেন।
26 ସେହି ସମୟରେ ଲୋଟର ଭାର୍ଯ୍ୟା ପଛଆଡ଼କୁ ଅନାଇବାରୁ ସେ ଲବଣ ସ୍ତମ୍ଭ ହେଲା।
কিন্তু লোটের স্ত্রী পিছনে ফিরে তাকাল, ও সে এক লবণস্তম্ভে পরিণত হল।
27 ଆଉ ଅବ୍ରହାମ ପ୍ରଭାତରୁ ଉଠି ପୂର୍ବେ ଯେଉଁ ସ୍ଥାନରେ ସଦାପ୍ରଭୁଙ୍କ ଛାମୁରେ ଠିଆ ହୋଇଥିଲେ, ସେହି ସ୍ଥାନରେ ଉପସ୍ଥିତ ହୋଇ
পরদিন ভোরবেলায় অব্রাহাম উঠে সেই স্থানে ফিরে গেলেন, যেখানে তিনি সদাপ্রভুর সামনে দাঁড়িয়েছিলেন।
28 ସଦୋମ ଓ ହମୋରା ଓ ପ୍ରାନ୍ତରସ୍ଥ ସମସ୍ତ ଅଞ୍ଚଳ ପ୍ରତି ଅନାନ୍ତେ, ସେହି ଦେଶରୁ ଭାଟିର ଧୂମ ତୁଲ୍ୟ ଧୂମ ଉଠିବାର ଦେଖିଲେ।
তিনি নিচে সদোম ও ঘমোরার দিকে, এবং সমগ্র সমতল এলাকার দিকে তাকালেন, ও তিনি দেখলেন যে এক চুল্লি থেকে ওঠা ধোঁয়ার মতো ঘন ধোঁয়া সেই দেশ থেকে উঠে আসছে।
29 ଏହିରୂପେ ସେହି ପ୍ରାନ୍ତରସ୍ଥିତ ସମସ୍ତ ନଗରର ବିନାଶ ସମୟରେ ପରମେଶ୍ୱର ଅବ୍ରହାମଙ୍କୁ ସ୍ମରଣ କଲେ, ପୁଣି, ଲୋଟ ଯେଉଁ ଯେଉଁ ନଗରରେ ବାସ କରିଥିଲା, ସେହି ସେହି ନଗରର ଉତ୍ପାଟନ ସମୟରେ ଉତ୍ପାଟନ ମଧ୍ୟରୁ ଲୋଟକୁ ବାହାର କଲେ।
তাই ঈশ্বর যখন সমতল এলাকার নগরগুলি ধ্বংস করে দিলেন, তখন তিনি অব্রাহামকে স্মরণ করলেন, এবং লোটকে তিনি সেই সর্বনাশ থেকে বের করে আনলেন, যা সেই নগরগুলিকে উৎখাত করে ছেড়েছিল, যেখানে লোট বসবাস করছিলেন।
30 ଏଥିଉତ୍ତାରେ ଲୋଟ ସୋୟରରେ ବାସ କରିବାକୁ ଭୟ କରି ସେଠାରୁ ବାହାରି ଆପଣାର ଦୁଇ କନ୍ୟାଙ୍କୁ ଘେନି ପର୍ବତରେ ବାସ କଲା; ତହିଁରେ ସେ ଓ ତାହାର ଦୁଇ କନ୍ୟା ଗିରି କନ୍ଦରରେ ବାସ କଲେ।
লোট ও তাঁর দুই মেয়ে সোয়র ছেড়ে পাহাড়-পর্বতের উপর বসতি স্থাপন করলেন, কারণ সোয়রে থাকতে তিনি ভয় পেয়েছিলেন। তিনি ও তাঁর দুই মেয়ে একটি গুহাতে বসবাস করছিলেন।
31 ଏଥିଉତ୍ତାରେ ତାହାର ଜ୍ୟେଷ୍ଠା କନ୍ୟା କନିଷ୍ଠାକୁ କହିଲା, “ଆମ୍ଭମାନଙ୍କର ପିତା ବୃଦ୍ଧ, ପୁଣି, ସଂସାରର ବ୍ୟବହାରାନୁସାରେ ଆମ୍ଭମାନଙ୍କର ସହବାସ କରିବାକୁ ଏ ଦେଶରେ ତ କୌଣସି ପୁରୁଷ ନାହିଁ।
একদিন তাঁর বড়ো মেয়ে ছোটো মেয়েকে বলল, “আমাদের বাবা বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছেন, আর সমগ্র পৃথিবীর প্রচলিত প্রথানুসারে—এখানে এমন কোনো পুরুষও নেই, যে আমাদের সন্তান দিতে পারে।
32 ଆସ, ଆମ୍ଭେମାନେ ପିତାଙ୍କୁ ଦ୍ରାକ୍ଷାରସ ପାନ କରାଇ ପିତାଙ୍କ ବଂଶ ରକ୍ଷା ନିମିତ୍ତ ତାଙ୍କ ସଙ୍ଗେ ଶୟନ କରିବା।”
আয়, আমাদের বাবাকে দ্রাক্ষারস পান করাই ও পরে তাঁর সাথে সহবাস করি এবং আমাদের বাবার মাধ্যমে আমাদের পারিবারিক বংশধারা এগিয়ে নিয়ে যাই।”
33 ତହୁଁ ସେହି ରାତ୍ରରେ ସେମାନେ ଆପଣା ପିତାଙ୍କୁ ଦ୍ରାକ୍ଷାରସ ପାନ କରାନ୍ତେ, ଜ୍ୟେଷ୍ଠା କନ୍ୟା ଉଠିଯାଇ ପିତା ସଙ୍ଗେ ଶୟନ କଲା; ମାତ୍ର ତାହାର ଶୟନ କରିବାର ଓ ଉଠିଯିବାର ଲୋଟ ଜାଣି ପାରିଲା ନାହିଁ।
সেরাতে তারা তাদের বাবাকে দ্রাক্ষারস পান করালো, এবং বড়ো মেয়ে ভিতরে গিয়ে তাঁর সাথে সহবাস করল। লোট জানতেই পারেননি কখন সে শুতে এসেছিল আর কখনোই বা সে উঠে পড়েছিল।
34 ଆରଦିନ ସେହି ଜ୍ୟେଷ୍ଠା କନ୍ୟା କନିଷ୍ଠାକୁ କହିଲା, “ଦେଖ, ମୁଁ ଗତ ରାତ୍ର ପିତାଙ୍କ ସଙ୍ଗରେ ଶୟନ କଲି, ଆସ, ଆଜି ରାତ୍ର ମଧ୍ୟ ପିତାଙ୍କୁ ଦ୍ରାକ୍ଷାରସ ପାନ କରାଉ; ତହୁଁ ତୁମ୍ଭେ ଯାଇ ପିତାଙ୍କ ବଂଶ ରକ୍ଷାର୍ଥେ ତାଙ୍କ ସଙ୍ଗେ ଶୟନ କର।”
পরদিন বড়ো মেয়ে ছোটো মেয়েকে বলল, “গতকাল রাতে আমি আমার বাবার সাথে সহবাস করেছিলাম। আয়, আজ রাতেও আমরা তাঁকে দ্রাক্ষারস পান করাই আর তুই ভিতরে গিয়ে তাঁর সাথে সহবাস কর, যেন আমরা আমাদের বাবার মাধ্যমে আমাদের পারিবারিক বংশধারা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।”
35 ତହିଁରେ ସେମାନେ ସେହି ରାତ୍ରିରେ ମଧ୍ୟ ପିତାଙ୍କୁ ଦ୍ରାକ୍ଷାରସ ପାନ କରାନ୍ତେ, କନିଷ୍ଠା କନ୍ୟା ଉଠି ତାହା ସଙ୍ଗେ ଶୟନ କଲା; ମାତ୍ର ତାହାର ଶୟନ କରିବାର ଓ ଉଠିଯିବାର ଲୋଟ ଜାଣି ପାରିଲା ନାହିଁ।
তাই সেরাতেও তারা তাদের বাবাকে দ্রাক্ষারস পান করালো, আর ছোটো মেয়ে ভিতরে গিয়ে তাঁর সাথে সহবাস করল। এবারও তিনি জানতেই পারেননি কখন সে শুতে এসেছিল আর কখনোই বা সে উঠে পড়েছিল।
36 ଏହିରୂପେ ଲୋଟର ଦୁଇ କନ୍ୟା ଆପଣା ପିତା ଦ୍ୱାରା ଗର୍ଭବତୀ ହେଲେ।
অতএব লোটের দুই মেয়েই তাদের বাবার মাধ্যমে গর্ভবতী হল।
37 ଏଥିଉତ୍ତାରେ ଜ୍ୟେଷ୍ଠା କନ୍ୟା ପୁତ୍ର ପ୍ରସବ କରି ତାହାର ନାମ ମୋୟାବ ଦେଲା; ସେ ବର୍ତ୍ତମାନ କାଳର ମୋୟାବୀୟ ଲୋକମାନଙ୍କର ଆଦିପିତା।
বড়ো মেয়ে এক পুত্রসন্তান লাভ করল, আর সে তার নাম দিল মোয়াব; সে বর্তমানকালের মোয়াবীয়দের পূর্বপুরুষ।
38 ପୁଣି, କନିଷ୍ଠା କନ୍ୟା ପୁତ୍ର ପ୍ରସବ କରି ତାହାର ନାମ ବିନ-ଅମ୍ମି ଦେଲା; ସେ ବର୍ତ୍ତମାନ କାଳର ଅମ୍ମୋନୀୟ ଲୋକମାନଙ୍କର ଆଦିପିତା।
ছোটো মেয়েও এক পুত্রসন্তান লাভ করল, ও সে তার নাম দিল বিন-অম্মি; সে বর্তমানকালের অম্মোনীয়দের পূর্বপুরুষ।