< Marc 11 >
1 Comme ils approchaient de Jérusalem et de Béthanie, près du mont des Oliviers, il envoya deux de ses disciples,
তাঁরা জেরুশালেমের কাছাকাছি এসে যখন জলপাই পর্বতের ধারে বেথফাগ ও বেথানি গ্রামে উপস্থিত হলেন, তখন যীশু তাঁর দুজন শিষ্যকে এই বলে পাঠালেন,
2 Et il leur dit: Allez à ce village qui est devant vous; et dès que vous y serez entrés, vous trouverez un ânon lié, sur lequel aucun homme ne s’est encore assis; déliez-le, et me l’amenez.
“তোমরা সামনের ওই গ্রামে যাও। সেখানে প্রবেশ করা মাত্র দেখতে পাবে যে একটি গর্দভশাবক বাঁধা আছে, যার উপরে কেউ কখনও বসেনি। সেটির বাঁধন খুলে এখানে নিয়ে এসো।
3 Et si quelqu’un vous demande: Que faites-vous? dites que le Seigneur en a besoin, et aussitôt il le laissera amener ici.
কেউ যদি তোমাদের জিজ্ঞাসা করে, ‘তোমরা কেন এরকম করছ?’ তাকে বোলো, ‘প্রভুর প্রয়োজন আছে, শীঘ্রই তিনি এটি ফেরত পাঠিয়ে দেবেন।’”
4 S’en étant donc allés, ils trouvèrent l’ânon lié dehors, devant la porte entre deux chemins, et ils le délièrent.
তাঁরা গিয়ে দেখলেন, একটি দরজার কাছে, বাইরের রাস্তায় একটি গর্দভশাবক বাঁধা আছে। তাঁরা সেটি খোলা মাত্র,
5 Et quelques-uns de ceux qui étaient-là leur disaient: Que faites-vous, déliant cet ânon?
সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন লোক জিজ্ঞাসা করল, “তোমরা কী করছ? শাবকটির বাঁধন খুলছ কেন?”
6 Ils leur répondirent comme Jésus le leur avait commandé, et on le leur laissa.
এতে যীশু যেমন বলেছিলেন, তাঁরা সেভাবেই উত্তর দিলেন। আর সেই লোকেরা সেটিকে নিয়ে যেতে দিল।
7 Et ils amenèrent l’ânon à Jésus, et ils le couvrirent de leurs vêtements, et il monta dessus.
তাঁরা গর্দভশাবকটি যীশুর কাছে নিয়ে এসে তার উপর তাদের পোশাক বিছিয়ে দিলেন। তিনি তার উপরে বসলেন।
8 Beaucoup de personnes aussi étendirent leurs vêtements le long de la route; d’autres coupaient des branches d’arbres, et en jonchaient le chemin.
বহু মানুষ পথের উপরে তাদের পোশাক বিছিয়ে দিল, অন্যেরা মাঠ থেকে গাছের ডালপালা কেটে এনে রাস্তার উপরে ছড়িয়ে দিল।
9 Et ceux qui marchaient devant, et ceux qui suivaient criaient, disant: Hosanna!
যারা সামনে যাচ্ছিল ও যারা পিছনে ছিল, তারা চিৎকার করে বলতে লাগল, “হোশান্না!” “ধন্য তিনি, যিনি প্রভুর নামে আসছেন!”
10 Béni celui qui vient au nom du Seigneur; béni le règne qui arrive de notre père David; hosanna au plus haut des cieux!
“ধন্য আমাদের পিতা দাউদের সন্নিকট রাজ্য!” “ঊর্ধ্বলোকে হোশান্না!”
11 Et il entra à Jérusalem, dans le temple, et après avoir regardé toutes choses, comme l’heure était déjà fort avancée, il se retira à Béthanie avec les douze.
যীশু জেরুশালেমে প্রবেশ করে মন্দিরে গেলেন। তিনি চারপাশের সবকিছু লক্ষ্য করতে লাগলেন। কিন্তু ইতিমধ্যে অনেক দেরি হওয়াতে, তিনি সেই বারোজনের সঙ্গে বেথানিতে চলে গেলেন।
12 Le lendemain, comme ils sortaient de Béthanie, il eut faim.
পরদিন, তাঁরা বেথানি পরিত্যাগ করে যাওয়ার সময়, যীশু ক্ষুধার্ত হলেন।
13 Or, voyant de loin un figuier qui avait des feuilles, il vint pour voir s’il y trouverait quelque fruit. Mais, lorsqu’il s’en fut approché, il n’y trouva que des feuilles, car ce n’était pas le temps des figues.
দূরে একটি পাতায় ভরা ডুমুর গাছ দেখে, তাতে কোনো ফল আছে কি না, তিনি তা খুঁজতে গেলেন। তিনি গাছটির কাছে গিয়ে পাতা ছাড়া আর কিছুই দেখতে পেলেন না, কারণ তখন ডুমুরের মরশুম ছিল না।
14 Alors prenant la parole, il lui dit: Que jamais personne ne mange plus de fruit de toi! Et ses disciples l’entendaient. (aiōn )
তখন তিনি সেই গাছটিকে বললেন, “তোমার ফল কেউ যেন আর কখনও না খায়।” শিষ্যেরা তাঁকে একথা বলতে শুনলেন। (aiōn )
15 Ils vinrent ensuite à Jérusalem. Or étant entré dans le temple, il commença à chasser ceux qui vendaient et achetaient dans le temple; il renversa même les tables des changeurs et les sièges de ceux qui vendaient des colombes.
জেরুশালেমে পৌঁছে যীশু মন্দির চত্বরে প্রবেশ করলেন এবং যারা সেখানে কেনাবেচা করছিল, তাদের তাড়িয়ে দিতে লাগলেন। তিনি মুদ্রা-বিনিময়কারীদের টেবিল ও পায়রা-বিক্রেতাদের বেঞ্চি উল্টে দিলেন।
16 Et il ne souffrait pas que personne transportât d’objet par le temple.
মন্দির-প্রাঙ্গণ দিয়ে তিনি কাউকে বিক্রি করার কোনো কিছু নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিলেন না।
17 Il enseignait aussi, leur disant: N’est-il pas écrit: Ma maison sera appelée maison de prière pour toutes les nations? Et vous, vous en avez fait une caverne de voleurs.
তিনি তাদের বললেন, “একথা কি লেখা নেই, ‘আমার গৃহ সর্বজাতির প্রার্থনা-গৃহরূপে আখ্যাত হবে’? কিন্তু তোমরা একে ‘দস্যুদের গহ্বরে পরিণত করেছ।’”
18 Ce qu’ayant entendu, les princes des prêtres et les scribes cherchaient comment ils le perdraient; car ils le craignaient, parce que tout le peuple était dans l’admiration de sa doctrine.
প্রধান যাজকেরা ও শাস্ত্রবিদরা একথা শুনতে পেয়ে, তাঁকে হত্যা করার পথ খুঁজতে লাগল। কিন্তু তারা তাঁকে ভয় করত, কারণ লোকসকল তার উপদেশে চমৎকৃত হয়েছিল।
19 Lorsque le soir était venu, il sortait de la ville.
সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে, যীশু ও তাঁর শিষ্যরা নগরের বাইরে চলে গেলেন।
20 Et comme le lendemain matin ils passaient, ils virent le figuier desséché jusqu’à la racine.
সকালবেলা, পথে যাওয়ার সময় তাঁরা দেখলেন, সেই ডুমুর গাছটি সমূলে শুকিয়ে গেছে।
21 Alors Pierre se ressouvenant, lui dit: Maître, voilà que le figuier que vous avez maudit a séché.
সব কথা তখন পিতরের মনে পড়ল, আর তিনি যীশুকে বললেন, “রব্বি দেখুন, যে ডুমুর গাছটিকে আপনি অভিশাপ দিয়েছিলেন, সেটি শুকিয়ে গেছে।”
22 Et Jésus répondant, leur dit: Ayez foi en Dieu.
যীশু উত্তর দিলেন, “ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখো।
23 En vérité, je vous dis que quiconque dira à cette montagne: Lève-toi, et jette-toi dans la mer, et n’hésitera point dans son cœur, mais croira que tout ce qu’il aura dit se doit faire, il lui sera réellement fait.
আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, কেউ যদি এই পর্বতটিকে বলে, ‘যাও, উপড়ে গিয়ে সমুদ্রে পড়ো,’ কিন্তু তার মনে কোনো সন্দেহ পোষণ না করে বিশ্বাস করে যে, সে যা বলেছে, তাই ঘটবে, তার জন্য সেরকমই করা হবে।
24 C’est pourquoi je vous le dis: Tout ce que vous demanderez dans la prière, croyez que vous l’obtiendrez, et il vous arrivera.
সেই কারণে আমি তোমাদের বলছি, তোমরা প্রার্থনায় যা কিছু চাও, বিশ্বাস করো যে তোমরা তা পেয়ে গিয়েছ, তবে তোমাদের জন্য সেরকমই হবে।
25 Et quand vous serez pour prier, pardonnez, si vous avez quelque chose contre quelqu’un, afin que votre Père, qui est dans les cieux, vous pardonne aussi vos péchés.
আর তোমরা যখন প্রার্থনা করার জন্য দাঁড়াও, যদি কারও বিরুদ্ধে তোমাদের কোনও ক্ষোভ থাকে, তাকে ক্ষমা করো,
26 Car si vous ne pardonnez point vous-mêmes, votre Père qui est dans les cieux ne vous pardonnera point non plus vos péchés.
যেন তোমাদের স্বর্গস্থ পিতাও তোমাদের সকল পাপ ক্ষমা করেন।”
27 Ils vinrent de nouveau à Jérusalem; et comme il se promenait dans le temple, les princes des prêtres, les scribes et les anciens s’approchèrent de lui,
তাঁরা পুনরায় জেরুশালেমে এলেন। যীশু যখন মন্দির চত্বরে হেঁটে যাচ্ছিলেন, তখন প্রধান যাজকেরা, শাস্ত্রবিদরা ও লোকদের প্রাচীনবর্গ তাঁর কাছে এল।
28 Et lui dirent: Par quelle autorité faites-vous ces choses, et qui vous a donné ce pouvoir de les faire?
তারা প্রশ্ন করল, “তুমি কোন অধিকারে এসব কাজ করছ? আর এসব করার অধিকারই বা কে তোমাকে দিল?”
29 Jésus, répondant, leur dit: Je vous ferai, moi aussi, une demande; répondez-moi, et je vous dirai par quelle autorité je fais ces choses.
যীশু উত্তর দিলেন, “আমিও তোমাদের একটি প্রশ্ন করব। আমাকে উত্তর দাও, তাহলে আমিও তোমাদের বলব, আমি কোন অধিকারে এসব করছি।
30 Le baptême de Jean était-il du ciel ou des hommes? Répondez-moi.
আমাকে বলো, যোহনের বাপ্তিষ্ম স্বর্গ থেকে হয়েছিল, না মানুষের কাছ থেকে?”
31 Mais eux pensaient en eux-mêmes, disant: Si nous répondons: Du ciel, il dira: Pourquoi donc n’y avez-vous pas cru?
তারা নিজেদের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা করে বলল, “যদি আমরা বলি, ‘স্বর্গ থেকে,’ ও জিজ্ঞাসা করবে, ‘তাহলে তোমরা তাকে বিশ্বাস করোনি কেন?’
32 Si nous répondons: Des hommes, nous avons à craindre le peuple; car tous croyaient que Jean était vraiment prophète.
কিন্তু যদি আমরা বলি, ‘মানুষের কাছ থেকে’” (তারা জনসাধারণকে ভয় করত, কারণ প্রত্যেকে যোহনকে প্রকৃত ভাববাদী বলেই মনে করত।)
33 Répondant donc, ils dirent à Jésus: Nous ne savons. Et répliquant, Jésus leur dit: Ni moi non plus, je ne vous dis par quelle autorité je fais ces choses.
তাই তারা যীশুকে উত্তর দিল, “আমরা জানি না।” যীশু বললেন, “তাহলে, আমিও কোন অধিকারে এসব কাজ করছি, তা তোমাদের বলব না।”