< إرْمِيا 16 >
وَأَوْحَى الرَّبُّ إِلَيَّ بِهَذَا الْكَلامِ: | ١ 1 |
এরপর সদাপ্রভুর বাক্য আমার কাছে এসে উপস্থিত হল:
«لا تَتَزَوَّجْ فِي هَذَا الْمَوْضِعِ وَلا تُنْجِبْ فِيهِ أَبْنَاءً وَلا بَنَاتٍ». | ٢ 2 |
“তুমি এই স্থানে বিয়ে কোরো না এবং এখানে তোমার ছেলেমেয়েও যেন না হয়।”
لأَنَّ هَذَا مَا يَقُولُهُ الرَّبُّ عَنِ الأَبْنَاءِ وَالْبَنَاتِ الْمَوْلُودِينَ فِي هَذَا الْمَوْضِعِ، وَعَنِ الأُمَّهَاتِ وَالآبَاءِ الَّذِينَ أَنْجَبُوهُمْ فِي هَذِهِ الْبِلادِ: | ٣ 3 |
কারণ এখানে জন্ম নেওয়া ছেলেমেয়েদের সম্পর্কে এবং তাদের মায়েদের ও বাবাদের সম্পর্কে সদাপ্রভু এই কথা বলেন:
«سَيَمُوتُونَ بِالأَمْرَاضِ، فَلا يُنْدَبُونَ، وَلا يُدْفَنُونَ بَلْ يُصْبِحُونَ نُفَايَةً مَطْرُوحَةً عَلَى وَجْهِ الأَرْضِ، وَيَفْنَوْنَ بِالسَّيْفِ وَالْجُوعِ، وَتَكُونُ جُثَثُهُمْ طَعَاماً لِجَوَارِحِ السَّمَاءِ وَلِوُحُوشِ الأَرْضِ. | ٤ 4 |
“তারা মারাত্মক রোগে মারা যাবে। তাদের জন্য শোকবিলাপ করা হবে না ও তাদের কবর দেওয়া হবে না, কিন্তু আবর্জনার মতো তাদের মৃতদেহ মাটিতে পড়ে থাকবে। তারা তরোয়ালের আঘাতে ও দুর্ভিক্ষে ধ্বংস হবে এবং তাদের মৃতদেহ আকাশের পাখিদের ও বুনো পশুদের আহার হবে।”
لَا تَدْخُلْ إِلَى بَيْتٍ فِيهِ مَأْتَمٌ، وَلا تَذْهَبْ لِتَنْدُبَ أَحَداً أَوْ لِلتَّعْزِيَةِ، لأَنِّي قَدْ نَزَعْتُ سَلامِي وَإِحْسَانِي وَمَرَاحِمِي مِنْ هَذَا الشَّعْبِ، | ٥ 5 |
কারণ সদাপ্রভু এই কথা বলেন, “তুমি মৃতদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ভোজ খেতে কোনো গৃহে প্রবেশ কোরো না; সেখানে শোক করতে বা সহানুভূতি দেখাতে যেয়ো না, কারণ এই লোকদের উপর থেকে আমি আমার আশীর্বাদ, আমার ভালোবাসা ও আমার অনুকম্পা তুলে নিয়েছি,” সদাপ্রভু এই কথা বলেন।
فَيَمُوتُ الصَّغِيرُ وَالْكَبِيرُ فِي هَذِهِ الأَرْضِ فَلا يُدْفَنُونَ وَلا يُنْدَبُونَ أَوْ يَخْدِشُ أَحَدٌ نَفْسَهُ أَوْ يَحْلِقُ شَعْرَهُ حِدَاداً عَلَيْهِمْ. | ٦ 6 |
“উঁচু বা নীচ নির্বিশেষে সবাই এই দেশে মারা যাবে। তাদের কবর দেওয়া কিংবা তাদের জন্য শোক করা হবে না, কেউ নিজের শরীরে কাটাকুটি বা তাদের মস্তক মুণ্ডন করবে না।
وَلا يُقَدِّمْ أَحَدٌ طَعَاماً فِي مَأْتَمٍ عَزَاءً لَهُمْ عَنِ الْمَيْتِ، وَلا يَسْقُونَهُمْ كَأْسَ الْمُوَاسَاةِ عَنْ فَقْدِ أَبٍ أَوْ أُمٍّ. | ٧ 7 |
যারা মৃতদের উদ্দেশ্যে বিলাপ করে, তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য কেউ খাবার পাঠাবে না—এমনকি, তাদের কারও মা বা বাবার জন্যও নয়—কিংবা তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য কেউ কোনো পানীয়ও দেবে না।
وَلا تَذْهَبْ إِلَى بَيْتٍ فِيهِ مَأْدُبَةٌ لِتَجْلِسَ مَعَهُمْ وَتَأْكُلَ وَتَشْرَبَ، | ٨ 8 |
“আবার কোনো ভোজ-উৎসবের গৃহে তুমি প্রবেশ করে, সেখানে ভোজন ও পান করার জন্য বসে পড়বে না।
لأَنِّي أَقْطَعُ مِنْ هَذَا الْمَوْضِعِ، أَمَامَ أَعْيُنِكُمْ وَفِي أَيَّامِكُمْ، صَوْتَ أَهَازِيجِ الْبَهْجَةِ وَالطَّرَبِ، وَأَغَانِيَ الاحْتِفَالِ بِالْعَرُوسِ وَالْعَرِيسِ. | ٩ 9 |
কারণ ইস্রায়েলের ঈশ্বর, বাহিনীগণের সদাপ্রভু এই কথা বলেন: তোমাদের চোখের সামনে ও তোমাদের জীবনকালেই আমি আনন্দ ও উল্লাসের রব, বর-কন্যার আনন্দরবের পরিসমাপ্তি ঘটাব।
وَعِنْدَمَا تُبَلِّغُ هَذَا الشَّعْبَ هَذَا الْكَلامَ، وَيَسْأَلُونَكَ: لِمَاذَا قَضَى الرَّبُّ عَلَيْنَا بِكُلِّ هَذَا الشَّرِّ الْعَظِيمِ؟ مَا هِيَ آثَامُنَا؟ وَأَيَّةُ خَطِيئَةٍ ارْتَكَبْنَاهَا فِي حَقِّ الرَّبِّ إِلَهِنَا؟ | ١٠ 10 |
“তুমি যখন লোকেদের এই সমস্ত কথা বলবে, আর তারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করবে, ‘সদাপ্রভু কেন আমাদের জন্য এই ধরনের বিপর্যয়ের কথা ঘোষণা করেছেন? আমরা কি অন্যায় করেছি? আমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর বিরুদ্ধে আমরা কি পাপ করেছি?’
عِنْدَئِذٍ تُجِيبُهُمْ: يَقُولُ الرَّبُّ: لأَنَّ أَبَاءَكُمْ نَبَذُونِي وَضَلُّوا وَرَاءَ الأَوْثَانِ وَعَبَدُوهَا وَسَجَدُوا لَهَا، وَتَرَكُونِي وَلَمْ يُطَبِّقُوا شَرِيعَتِي. | ١١ 11 |
তাহলে তুমি তাদের বোলো, ‘এর কারণ হল, তোমাদের পূর্বপুরুষেরা আমাকে ত্যাগ করেছে,’ সদাপ্রভু এই কথা বলেন, ‘এবং অন্যান্য দেবদেবীর অনুসারী হয়ে তাদের সেবা করেছে ও তাদের উপাসনা করেছে। তারা আমাকে পরিত্যাগ করেছে ও আমার বিধান পালন করেনি।
وَلأَنَّكُمْ أَنْتُمْ أَيْضاً قَدْ أَسَأْتُمْ أَكْثَرَ مِنْ آبَائِكُمْ، وَغَوَى كُلُّ وَاحِدٍ مِنْكُمْ وَرَاءَ قَلْبِهِ الشِّرِّيرِ الْعَنِيدِ وَرَفَضَ طَاعَتِي. | ١٢ 12 |
এছাড়া তোমরা, তোমাদের পিতৃপুরুষদের চেয়েও বেশি দুষ্টতার কাজ করেছ। দেখো, তোমরা প্রত্যেকে আমার আদেশ পালন না করে কেমনভাবে নিজেদের মন্দ হৃদয়ের অনুসারী হয়েছ।
لِذَلِكَ هَا أَنَا أَقْذِفُكُمْ خَارِجَ هَذِهِ الأَرْضِ إِلَى أَرْضٍ لَمْ تَعْرِفُوهَا أَنْتُمْ وَلا آبَاؤُكُمْ، فَتَعْبُدُونَ هُنَاكَ أَصْنَاماً بَاطِلَةً نَهَاراً وَلَيْلاً، لأَنِّي لَنْ أُبْدِيَ لَهُمْ رَحْمَتِي». | ١٣ 13 |
তাই, আমি এই দেশ থেকে তোমাদের এমন এক দেশে ছুঁড়ে ফেলে দেব, যে দেশের কথা তোমরা জানো না বা তোমাদের পিতৃপুরুষেরা জানত না। সেখানে তোমরা দিনরাত অন্যান্য দেবদেবীর সেবা করবে, কারণ আমি তোমাদের প্রতি কোনো কৃপা প্রদর্শন করব না।’
لِهَذَا يَقُولُ الرَّبُّ: «هَا أَيَّامٌ مُقْبِلَةٌ لَا يُقَالُ فِيهَا بَعْدُ: حَيٌّ هُوَ الرَّبُّ الَّذِي أَخْرَجَ شَعْبَ إِسْرَائِيلَ مِنْ مِصْرَ، | ١٤ 14 |
“তবুও, এমন দিন আসন্ন,” সদাপ্রভু এই কথা বলেন, “যখন লোকেরা আর ‘জীবন্ত সদাপ্রভুর দিব্যি, যিনি ইস্রায়েলীদের মিশর থেকে মুক্ত করে এনেছিলেন একথা বলবে না,’
إِنَّمَا يُقَالُ: حَيٌّ هُوَ الرَّبُّ الَّذِي أَخْرَجَ شَعْبَ إِسْرَائِيلَ مِنْ بِلادِ الشِّمَالِ وَمِنْ سَائِرِ الأَرَاضِي الَّتِي سَبَاهُمْ إِلَيْهَا. لأَنِّي سَأُرْجِعُهُمْ ثَانِيَةً إِلَى أَرْضِهِمِ الَّتِي وَهَبْتُهَا لِآبَائِهِمْ. | ١٥ 15 |
বরং তারা বলবে, ‘জীবন্ত সদাপ্রভুর দিব্যি, যিনি উত্তরের দেশ থেকে এবং যে সমস্ত দেশে তিনি তাদের নির্বাসিত করেছিলেন, সেখান থেকে ইস্রায়েলীদের মুক্ত করে এনেছেন।’ কারণ তাদের পিতৃপুরুষদের আমি যে দেশ দিয়েছিলাম, সেখানেই তাদের আবার ফিরিয়ে আনব।
هَا أَنَا أُرْسِلُ صَيَّادِينَ كَثِيرِينَ، لِيَصْطَادُوهُمْ، ثُمَّ أَبْعَثُ بِقَنَّاصِينَ كَثِيرِينَ لِيَقْتَنِصُوهُمْ مِنْ كُلِّ جَبَلٍ وَمِنْ كُلِّ رَابِيَةٍ وَمِنْ شُقُوقِ الصُّخُورِ. | ١٦ 16 |
“কিন্তু এবারে আমি বহু জেলেকে পাঠাব,” সদাপ্রভু এই কথা বলেন, “তারা তাদের ধরবে। তারপর আমি পাঠাব বহু শিকারিকে, যারা তাদের প্রত্যেক পাহাড় ও পর্বতের ফাটল ও বড়ো বড়ো পাথরের খাঁজ থেকে শিকার করে আনবে।
لأَنَّ عَيْنَيَّ تُرَاقِبَانِ طُرُقَهُمُ الَّتِي لَمْ تَحْتَجِبْ عَنِّي وَإِثْمَهُمُ الَّذِي لَمْ يَسْتَتِرْ عَنْ عَيْنَيَّ. | ١٧ 17 |
আমার চোখ তাদের সমস্ত জীবনাচরণের প্রতি নিবদ্ধ থাকবে, তাদের কোনো পাপ আমার কাছ থেকে গুপ্ত থাকবে না।
فَأُعَاقِبُهُمْ عِقَاباً مُضَاعَفاً عَلَى إِثْمِهِمْ، لأَنَّهُمْ دَنَّسُوا أَرْضِي بِجُثَثِ أَصْنَامِهِمْ، وَمَلَأُوا مِيرَاثِي بِنَجَاسَاتِهِمْ». | ١٨ 18 |
তাদের দুষ্টতা ও তাদের পাপের জন্য আমি তাদের দ্বিগুণ প্রতিফল দেব, কারণ তারা তাদের অসার সব দেবমূর্তির প্রাণহীন আকৃতির দ্বারা আমার দেশ অশুচি করেছে এবং তাদের জঘন্য সব প্রতিমার দ্বারা আমার অধিকারকে পূর্ণ করেছে।”
يَا رَبُّ أَنْتَ عِزِّي وَحِصْنِي وَمَلاذِي فِي يَوْمِ الضِّيقِ، إِلَيْكَ تُقْبِلُ الأُمَمُ مِنْ أَقَاصِي الأَرْضِ قَائِلَةً: «لَمْ يَرِثْ آبَاؤُنَا سِوَى الْبَاطِلِ وَالأَكَاذِيبِ وَمَا لَا جَدْوَى مِنْهُ. | ١٩ 19 |
হে সদাপ্রভু, আমার শক্তি ও আমার দুর্গ, দুর্দশার সময়ে আমার আশ্রয়স্থান, তোমার কাছেই সমস্ত জাতি আসবে, পৃথিবীর প্রান্তসীমা থেকে এসে তারা বলবে, “মিথ্যা দেবতা ছাড়া আমাদের পিতৃপুরুষদের কাছে আর কিছুই ছিল না, অসার প্রতিমারা তাদের কোনো উপকারই করতে পারেনি।
هَلْ فِي وُسْعِ الْمَرْءِ أَنْ يَصْنَعَ لِنَفْسِهِ إِلَهاً؟ إِنَّ هَذِهِ لَيْسَتْ آلِهَةً. | ٢٠ 20 |
লোকেরা কি নিজেদের দেবদেবী তৈরি করতে পারে? হ্যাঁ পারে, কিন্তু আসলে তারা দেবতাই নয়!”
فَلِذَلِكَ هَا أَنَا أُعَرِّفُهُمْ هَذِهِ الْمَرَّةَ قُوَّتِي وَجَبَرُوتِي، فَيُدْرِكُونَ أَنَّ اسْمِي يَهْوَه (أَيِ الرَّبُّ)». | ٢١ 21 |
“সেই কারণে, আমি তাদের শিক্ষা দেব, এবার আমার পরাক্রম ও আমার শক্তি সম্পর্কে তাদের শিক্ষা দেব। তখন তারা জানতে পারবে যে, আমার নাম সদাপ্রভু।”