< Eyüp 34 >
1 Elihu konuşmasına şöyle devam etti:
পরে ইলীহূ বললেন:
2 “Ey bilgeler, sözlerimi dinleyin, Kulak verin bana, ey bilgi sahipleri.
“হে জ্ঞানীগুণীরা, আমার কথা শুনুন; হে পণ্ডিত ব্যক্তিরা, আমার কথায় কর্ণপাত করুন।
3 Çünkü damak nasıl yemeği tadarsa, Kulak da sözleri sınar.
জিভ যেভাবে খাদ্যের স্বাদ যাচাই করে কানও সেভাবে কথার পরীক্ষা করে।
4 Gelin, doğruyu seçelim, İyiyi birlikte öğrenelim.
আসুন, যা ন্যায্য আমরা তা আমাদের জন্য ঠিক করে নিই; আসুন, যা ভালো আমরা তা একসাথে শিখে নিই।
5 “Çünkü Eyüp, ‘Ben suçsuzum’ diyor, ‘Tanrı hakkımı elimden aldı.
“ইয়োব বলছেন, ‘আমি নির্দোষ, কিন্তু ঈশ্বর আমার প্রতি ন্যায়বিচার করেননি।
6 Haklı olduğum halde yalancı sayılıyorum, Suçsuz olduğum halde okunla yaraladın beni.’
আমি যদিও ন্যায়বান, তাও আমাকে মিথ্যাবাদীরূপে গণ্য করা হয়েছে; আমি যদিও নিরপরাধ, তাও তাঁর তির এক দুরারোগ্য আঘাত দিয়েছে।’
7 Eyüp gibisi var mı? Alayı su gibi içiyor!
ইয়োবের মতো আর কেউ কি আছেন, যিনি জলের মতো অবজ্ঞা পান করেন?
8 Kötülük yapanlarla dostluk edip geziyor, Kötülerle aynı yolda yürüyor.
তিনি দুর্বৃত্তদের সঙ্গ দেন; তিনি দুর্জনদের সহযোগী হন।
9 Çünkü, ‘Tanrı'yı hoşnut etmeye çalışmak İnsana yarar getirmez’ diyor.
কারণ তিনি বলেছেন, ‘ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করে কোনও লাভ নেই।’
10 “Bu yüzden, ey sağduyulu insanlar, beni dinleyin! Tanrı kötülük yapar mı, Her Şeye Gücü Yeten haksızlık eder mi? Asla!
“তাই হে বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষেরা, আমার কথা শুনুন। এ হতেই পারে না যে ঈশ্বর অমঙ্গল করবেন, সর্বশক্তিমান অন্যায় করবেন।
11 Çünkü O herkese yaptığının karşılığını öder, Hak ettiğini başına getirir.
মানুষের কর্মের ফলই তিনি প্রত্যেককে দেন; তাদের আচরণ অনুসারে তাদের যা প্রাপ্য তিনি তাদের তাই দেন।
12 Tanrı kesinlikle kötülük etmez, Her Şeye Gücü Yeten adaleti saptırmaz.
চিন্তাও করা যায় না যে ঈশ্বর অন্যায় করবেন, সর্বশক্তিমান ন্যায়বিচার বিকৃত করবেন।
13 Kim yeryüzünü O'na emanet etti? Kim O'nu bütün dünyanın başına atadı?
পৃথিবীর উপরে কে তাঁকে নিযুক্ত করেছে? সমগ্র জগতের দায়িত্ব কে তাঁর হাতে সঁপে দিয়েছে?
14 Eğer niyet eder de Ruhunu ve soluğunu geri çekerse,
যদি তাঁর ইচ্ছা হত এবং তিনি তাঁর আত্মা ও শ্বাসবায়ু ফিরিয়ে নিতেন,
15 Bütün insanlık bir anda yok olur, İnsan yine toprağa döner.
তবে সমগ্র মানবজাতি একসাথে ধ্বংস হয়ে যেত ও মানবসমাজ ধুলোতে ফিরে যেত।
16 “Aklın varsa dinle, Kulak ver sözlerime.
“আপনার যদি বোধশক্তি থাকে, তবে শুনুন; আমি যা বলছি তাতে কর্ণপাত করুন।
17 Adaletten nefret eden hiç hüküm sürebilir mi? Adil ve güçlü olanı suçlayacak mısın?
যে ন্যায়বিচার ঘৃণা করে সে কি শাসন করবে? আপনি কি ন্যায়পরায়ণ ও পরাক্রমী ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করবেন?
18 Krallara, ‘Değersizsiniz’, Soylulara, ‘Kötüsünüz’ diyen,
তিনিই কি সেই ব্যক্তি নন, যিনি রাজাদের বলেন, ‘তোমরা অপদার্থ,’ ও অভিজাত লোকজনকে বলেন, ‘তোমরা দুষ্ট,’
19 Önderlere ayrıcalık tanımayan, Zengini yoksuldan çok önemsemeyen O değil mi? Çünkü hepsi O'nun ellerinin işidir.
যিনি রাজপুরুষদের প্রতি পক্ষপাতিত্ব দেখান না এবং দরিদ্রদের তুলনায় ধনীদের বেশি প্রশ্রয় দেন না, কারণ তারা সবাই তাঁরই হাতের কর্ম?
20 Gece yarısı bir anda ölürler, Herkes sarsılır, ölüp gider, Güçlüler de insan eli değmeden alınıp götürülür.
এক পলকে, মাঝরাতেই তাদের মৃত্যু হয়; মানুষজন প্রকম্পিত হয় ও তারা মারা যায়; পরাক্রমীরা মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই অপসারিত হয়।
21 “Tanrı'nın gözleri insanların yolundan ayrılmaz, Attıkları her adımı görür.
“নশ্বর মানুষের পথের প্রতি তাঁর দৃষ্টি আছে; তিনি তাদের প্রত্যেকটি পদক্ষেপ লক্ষ্য করেন।
22 Kötülük yapanların gizlenebileceği Ne karanlık bir yer vardır, ne de ölüm gölgesi.
এমন কোনও গভীর অন্ধকার, গাঢ় ছায়া নেই, যেখানে দুর্বৃত্তেরা গিয়ে লুকাতে পারে।
23 Yargılanmak için önüne gelsinler diye, Tanrı insanları sorgulamaya pek gerek duymaz.
ঈশ্বরকে আর মানুষের পরীক্ষা করতে হবে না, যেন বিচারিত হওয়ার জন্য তাদের তাঁর সামনে আসতে হয়।
24 Araştırmadan güçlü insanları kırar, Onların yerine başkalarını diker.
বিনা তদন্তে তিনি পরাক্রমীদের চূর্ণবিচূর্ণ করেন ও তাদের স্থানে তিনি অন্যদের নিযুক্ত করেন।
25 Çünkü ne yaptıklarını bilir, Gece onları deviriverir, ezilirler.
কারণ তিনি তাদের কাজকর্ম লক্ষ্য করেন, রাতারাতি তিনি তাদের উৎখাত করেন ও তারা চূর্ণ হয়।
26 Herkesin gözü önünde Kötülükleri yüzünden onları cezalandırır;
তাদের দুষ্টতার জন্য তিনি এমন এক স্থানে তাদের দণ্ড দেন যেখানে সবাই তাদের দেখতে পায়,
27 Artık O'nun ardından gitmedikleri, Yollarının hiçbirini dikkate almadıkları için.
কারণ তারা তাঁর অনুগমন করা থেকে ফিরে গিয়েছে ও তাঁর কোনো পথের প্রতি তাদের মনে কোনো কদর নেই।
28 Yoksulun feryadını O'na duyurdular; Düşkünlerin feryadını işitti.
তাদের কারণে দরিদ্রদের আর্তনাদ তাঁর কাছে পৌঁছেছে, ও অভাবগ্রস্তদের কান্না তিনি শুনে ফেলেছেন।
29 Ama Tanrı sessiz kalırsa kim O'nu suçlayabilir? Yüzünü gizlerse kim O'nu görebilir? Bir ulusa karşı da bir insana karşı da O hep aynıdır,
কিন্তু তিনি যদি নীরব থাকেন, কে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করবে? তিনি যদি তাঁর মুখ ঢেকে রাখেন, কে তাঁকে দেখতে পাবে? তবুও তিনি ব্যক্তিবিশেষ ও জাতি উভয়ের উপরেই বিরাজমান,
30 Tanrısız insan krallık etmesin, Halka tuzak kurmasın diye.
যেন অধার্মিকেরা শাসন করতে না পারে, ও প্রজাদের জন্য ফাঁদ বিছাতে না পারে।
31 “Kimse Tanrı'ya, ‘Suçluyum, artık kötülük yapmayacağım’ dedi mi,
“ধরুন কেউ ঈশ্বরকে বলছে, ‘আমি দোষী কিন্তু আমি আর অপরাধ করব না।
32 ‘Göremediğimi sen bana öğret, Haksızlık ettimse, bir daha etmem?’
আমি যা দেখতে পাই না তা আমাকে শিক্ষা দাও; আমি যদি অন্যায় করে থাকি, তবে আমি আর তা করব না।’
33 O'nu reddettiğin halde, Senin keyfince mi seni ödüllendirmeli? Çünkü karar verecek olan sensin, ben değil, Öyleyse anlat bana bildiğini.
যখন আপনি অনুতাপ করতে রাজি হচ্ছেন না তখন ঈশ্বর কি আপনার শর্তে আপনাকে পুরস্কৃত করবেন? আমাকে নয়, আপনাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে; তাই বলুন আপনি কী জানেন।
34 “Sağduyulu insanlar, Beni dinleyen bilgeler diyecekler ki,
“বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষেরা ঘোষণা করবেন, যারা আমার কথা শুনেছেন সেই জ্ঞানবানেরা আমায় বলবেন,
35 ‘Eyüp bilgisizce konuşuyor, Sözlerinin değeri yok.’
‘ইয়োব অজ্ঞের মতো কথা বলছেন; তাঁর কথায় অন্তর্দৃষ্টির অভাব আছে।’
36 Kötü biri gibi yanıtladığı için Keşke Eyüp'ün sınanması sonsuza dek sürse!
ওহো, একজন দুষ্টলোকের মতো উত্তর দেওয়ার জন্য যদি ইয়োবের চরম পরীক্ষা নেওয়া যেত!
37 Çünkü günahına isyan da ekliyor, Önümüzde alay edercesine el çırpıyor, Tanrı'ya karşı konuştukça konuşuyor.”
তাঁর পাপে তিনি বিদ্রোহও যোগ করেছেন; ঘৃণাপূর্ণভাবে তিনি আমাদের মধ্যে হাততালি দিয়েছেন ও ঈশ্বরের বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেছেন।”